প্যারাসিটামলের ডোজ
তাপমাত্রা কত হলে জ্বর বলা হয়?
- বগলে ৯৯.৫ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা তার বেশি
- জিহবায় ১০০.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা তার বেশি
- রেকটাল ১০১ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা তার বেশি
প্যারাসিটামলের ব্যবহারঃ
জ্বর ১০১ ডিগ্রী ফারেনহাইট বা তার বেশি হলে দেয়া উচিত। এর কম জ্বরে প্যারাসিটামল ব্যবহার করা উচিত নয়।
যে কোন হালকা ব্যাথা।
শরীরের কোথাও ফোলা বা ইনফ্লামেশন।
নাপা বা অন্য প্যারাসিটামল পেডিয়াট্রিক ড্রপ (80mg/ml) এর ডোজঃ (ওজন অনুসারে)
২-২.৫ কেজিঃ ০.৪ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৩-৩.৫ কেজিঃ ০.৬ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৪-৪.৫ কেজিঃ ০.৮ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৫-৫.৫ কেজিঃ ১ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৬-৬.৫ কেজিঃ ১.২ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৭-৭.৫ কেজিঃ ১.৪ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৮-৮.৫ কেজিঃ ১.৬ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৯-৯.৫ কেজিঃ ১.৮ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১০-১০.৫ কেজিঃ ২ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১১-১১.৫ কেজিঃ ২.১ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১২-১২.৫ কেজিঃ ২.৩ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১৩-১৩.৫ কেজিঃ ২.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
নাপা বা অন্য প্যারাসিটামল সিরাপ এবং সাসপেনশন (120mg/5ml) এর ডোজঃ
২-২.৫ কেজিঃ ১.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৩-৩.৫ কেজিঃ ২ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৪-৪.৫ কেজিঃ ২.৫ মিলি (হাফ চামচ) করে ৩-৪ বেলা।
৫ কেজিঃ ৩ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৫.৫-৬ কেজিঃ ৩.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৬.৫ কেজিঃ ৪ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৭-৭.৫ কেজিঃ ৪.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৮-৮.৫ কেজিঃ ৫ মিলি (১ চামচ) করে ৩-৪ বেলা।
৯ কেজিঃ ৫.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৯.৫ কেজিঃ ৬ মিলি করে করে ৩-৪ বেলা।
১০-১০.৫ কেজিঃ ৬.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১১-১১.৫ কেজিঃ ৭ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১২-১২.৫ কেজিঃ ৭.৫ মিলি (দেড় চামচ) করে ৩-৪ বেলা।
১৩ কেজিঃ ৮ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১৩.৫-১৪ কেজিঃ ৮.৫ করে ৩-৪ বেলা।
১৪.৫-১৫ কেজিঃ ৯ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১৫.৫ কেজিঃ ৯.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১৬ কেজিঃ ১০ মিলি (২ চামচ) করে ৩-৪ বেলা।
১৬.৫-১৭ কেজিঃ ১০.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১৭.৫-১৮ কেজিঃ ১১ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১৮.৫ কেজিঃ ১১.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
১৯-১৯.৫ কেজিঃ ১২ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
২০-২০.৫ কেজিঃ ১২.৫ মিলি (আড়াই চামচ) করে ৩-৪ বেলা।
২১ কেজিঃ ১৩ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
২১.৫-২২ কেজিঃ ১৩.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
২২.৫ কেজিঃ ১৪ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
২৩-২৩.৫ কেজিঃ ১৪.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
২৪-২৫ কেজিঃ ১৫ মিলি (৩ চামচ) করে ৩-৪ বেলা।
২৬-২৭ কেজিঃ ১৬.৫ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
২৮-২৯ কেজিঃ ১৭.৫ মিলি (সাড়ে ৩ চামচ) করে ৩-৪ বেলা।
৩০ কেজিঃ ১৯ মিলি করে ৩-৪ বেলা।
৩১-৩২ কেজিঃ ২০ মিলি (৪ চামচ) করে ৩-৪ বেলা।
৩২+ কেজিঃ (এডাল্ট ডোজ) ৫০০ মিলিগ্রাম ট্যাবলেট ৩-৪ বেলা।
২৫ কেজি+ বাচ্চা চাইলে এডাল্ট ডোজ ফলো করতে পারবে।
সাপোজিটরীর কখন দিবেনঃ
- মুখে ঔষধ খেতে না পারলে
- ঔষধ রিজেক্ট করলে
- বার বার বমি হলে
- ঔষধ খেলে বমি হলে
নাপা বা অন্য প্যারাসিটামল সাপোজিটরীর ডোজঃ
২-২.৫ কেজিঃ ৬০ মিগ্রা এর অর্ধেক।
৩-৩.৫ কেজিঃ ৬০ মিগ্রা এর ৩ ভাগের ২ ভাগ।
৪-৪.৫ কেজিঃ ৬০ মিগ্রা পুরোটা।
৫-৬ কেজিঃ ১২৫ মিগ্রা এর ৩ ভাগের ২ ভাগ।
৭-৯ কেজিঃ ১২৫ মিগ্রা এর পুরোটা।
১০-১১ কেজিঃ ২৫০ মিগ্রা এর ৩ ভাগের ২ ভাগ।
১২-১৩ কেজিঃ ২৫০ মিগ্রা এর ৪ ভাগের ৩ ভাগ।
১৪-১৫ কেজিঃ ২৫০ মিগ্রা এর ৫ ভাগের ৪ ভাগ।
১৬-১৮ কেজিঃ ২৫০ মিগ্রা এর পুরোটা।
১৯-২১ কেজিঃ ৫০০ মিগ্রা এর ৫ ভাগের ৩ ভাগ।
২২-২৪ কেজিঃ ৫০০ মিগ্রা এর ৪ ভাগের ৩ ভাগ।
২৫ কেজিঃ ৫০০ মিগ্রা এর ৫ ভাগের ৪ ভাগ।
২৫+ কেজিঃ ৫০০ মিগ্রা এর পুরোটা।
জ্বরের ক্ষেত্রে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শঃ
জ্বরের সময় বাচ্চাকে ঢেকে না রেখে তাপ বের হয়ে যাওয়ার জন্য কাপড় সরিয়ে দিতে হবে।
বাচ্চার জ্বর প্যারাসিটামলে না কমলে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছিয়ে দিতে হবে।
প্রয়োজনে মাথায় পানি দিতে হবে।
বাচ্চাকে উচ্চ জ্বরেও গোসল দেয়া যাবে।
বাচ্চার তাপমাত্রা মাপার সময় অবশ্যই থার্মমিটার ঠিক আছে কিনা চেক করবেন। সেক্ষেত্রে নিজের বা পরিবারের অন্য কারো তাপমাত্রা মেপে নিতে পারেন।
প্যারাসিটামল বা অন্য ঔষধ দেয়ার সময় অবশ্যই সেটা ড্রপ নাকি সিরাপ সেটা খেয়াল করে ঔষধ দিবেন।
- প্যারাসিটামলের ডোজ ৬ ঘন্টা পর পর। একবার মুখে ঔষধ দেয়ার পর জ্বর কমছে না বিধায় পুনরায় সাপজিটরী দেয়া যাবে না। বরং কুসুম গরম পানি দিয়ে গা মুছিয়ে দিয়ে জ্বর কমাবেন।
প্যারাসিটামল দেয়ার ২ ঘন্টা পর জ্বর না কমলে এবং ১০৪+ থাকলে হাসপাতালে বা ডাক্তারে নিতে হবে।
৩ দিন পরও জ্বর না কমলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন। তবে কোন ওয়ার্নিং সাইন থাকলে এবং ডেংগু সিজনে ৩ দিনের মধ্যেই ডাক্তার দেখানো উচিৎ।
সতর্কতাঃ
- কোন রোগীর লিভার ডিজিজ বা দীর্ঘমেয়াদী অসুস্থতা থাকলে ডাক্তার দেখিয়ে
- জ্বর ৩ দিন পরেও নামছে না, বা ১০৩°F (39.4°C) বা তার বেশি জ্বর, শ্বাসকষ্ট, ডিহাইড্রেশন — ইত্যাদি থাকলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
নিচে টেবিল আকারে বাচ্চার ওজন অনুযায়ী প্রতি বার প্যারাসিটামল এর ডোজ উল্লেখ করা হলোঃ (উক্ত ডোজে দৈনিক ৪-৬ বার দেয়া যাবে)
ওজন (কেজি) | সিরাপ (120mg/5ml) | ড্রপ (80mg/ml) | সাপোজিটরি (mg) |
2-2.5 kg | 1.5 ml | 0.4 ml | 30 mg |
3-3.5 kg | 2 ml | 0.6 ml | 50 mg |
4-4.5 kg | 2.5 ml | 0.8 ml | 60 mg |
5-5.5 kg | 3 ml | 1 ml | 80 mg |
6-6.5 kg | 4 ml | 1.2 ml | 100 mg |
7-7.5 kg | 4.5 ml | 1.4 ml | 125 mg |
8–8.5 kg | 5 ml | 1.6 ml | 125 mg |
9-9.5 kg | 6 ml | 1.8 ml | 125 mg |
10–10.5 kg | 6.5 ml | 2 ml | 150 mg |
11-11.5 kg | 7 ml | 2.1 ml | 150 mg |
12-12.5 kg | 7.5 ml | 2.3 ml | 180 mg |
13–13.5 kg | 8 ml | 2.5 ml | 200 mg |
14-14.5 kg | 9 ml | – | 200 mg |
15-15.5 kg | 9.5 ml | – | 220 mg |
16-16.5 kg | 10 ml | – | 250 mg |
17–17.5 kg | 11 ml | – | 250 mg |
18-18.5 kg | 11.5 ml | – | 250 mg |
19-19.5 kg | 12 ml | – | 300 mg |
20-20.5 kg | 12.5 ml | – | 300 mg |
21-21.5 kg | 13 ml | – | 300 mg |
22-23 kg | 14 ml | – | 350 mg |
24-25 kg | 15 ml | – | 400 mg |
26–27 kg | 16.5 ml | – | 400-500 mg |
27 kg+ | 20 ml (4 TSF) or 500 mg Tab | 500 mg | |
সতর্কতা (Disclaimer):
এই আর্টিকেলটি শুধুমাত্র প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য।
শিক্ষামূলক ও সচেতনতামূলক উদ্দেশ্যে তৈরি করা হয়েছে।
এখানে উল্লেখ্য ডোজ সমূহ সাধারণ নির্দেশিকা, যা বাচ্চার অবস্থা ভেদে পরিবর্তন হতে পারে। সঠিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসার জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
MBBS, MS (Pediatric Surgery)
SCHP (Paediatrics) Australia
Child Specialist & Pediatric Surgeon
Medical College for Women & Hospital (MCWH)
Share via:
