যাদের বাচ্চা বয়স অনুযায়ী কথা বলছে না তারা নিন্মের ব্যাবস্থা গুলো মানবেন-
১. স্ক্রিন টাইম কমানোঃ টিভি-মোবাইল বা অন্য স্ক্রিন অত্যাধিক ব্যবহার থেকে বিরত রাখবেন। সারাদিনে ১ ঘন্টা মত স্ক্রিন টাইম দেয়া যেতে পারে।
২. একা রাখা যাবে নাঃ বাচ্চাকে একা আন-এটেন্ডেন্ট রাখবেন না। সব সময় বাচ্চার সাথে থাকবেন এবং বাচ্চার সাথে কথা বলবেন, খেলাধুলা করবেন।
৩. ঘরোয়া স্পিচ থেরাপি সেশন: বাচ্চাকে আলাদা করে নিয়ে সকালে, দুপুরে এবং রাতে 15 মিনিট করে স্পিচ থেরাপি ট্রেনিং সেশন দিবেন। প্রথমে এক শব্দ করে ট্রেনিং দিবেন তারপর দুই শব্দ করে ট্রেনিং দিবেন। আপনার বাচ্চার কথা বলার অবস্থার প্রেক্ষিতে নির্ধারণ করবেন আপনি কতটুকু থেকে শুরু করবেন। এই ১৫ মিনিট সময়ে বাচ্চা বা আপনি অন্য কোন কাজ করবেন না, মনোযোগ একজনের অন্যের দিকে নিবিষ্ট থাকবে। তিন মাস পর কি রকম উন্নত হল সেটা যাচাই করবেন।
৪. খোলা পরিবেশে ঘুরতে নেয়াঃ প্রতিদিন বিকেলে ঘরের বাইরে নিয়ে যাবেন। ছাদে, নিচে রাস্তায় বা মাঠে নিয়ে যেতে পারেন। ভালো হয় সেখানে অন্য শিশুরা থাকলে।
৫. প্রি-স্কুলঃ বাচ্চার ৩ বছর হলে প্রি-স্কুলে দিবেন। এতে বাচ্চার অন্যদের সাথে যোগাযোগের দক্ষতা বাড়ে।
উপড়ের পরামর্শ গুলো ১৮ মাস+ বা ২ বছর থেকে শুরু করতে পারেন। যদি প্রাথমিক এসব পরামর্শে উন্নতী না হয় তবে স্পিচ ও ল্যাংগুয়েজ থেরাপিষ্ট দেখাবেন। এজন্য সাবেক পিজি হাসপাতাল (বর্তমান BSMMU) এর স্পিচ থেরাপি বিভাগে অথবা সিআরপি হাসপাতালে দেখাতে পারেন। আপনি ঢাকা থেকে দূরে থাকলে প্রাথমিক ভাবে স্থানীয় শিশু হাসপাতালের শিশু বিকাশ কেন্দ্রে দেখাতে পারেন।
কথা শেখার মাইলফলক আর্টিকেলটি পড়ে নিবেন।
© Dr-Adnan Al Berunie
MBBS, MS (Pediatric Surgery)
SCHP (Paediatrics) Australia
Child Specialist & Pediatric Surgeon
Medical College for Women & Hospital (MCWH)
Share via:

সময় উপযোগী আর্টিকেল এটি।